গীতা জয়ন্তী কি?? (নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সহায়তা করুন) গীতা জয়ন্তী কি তা সকলের জানা উচিত।তাই ধয্য সহকারে পরুন।
এই তিথিতেই পরম পুরুষোত্তম ভগবান
শ্রীকৃষ্ণ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা বীর
অর্জুনকে কুরুক্ষেত্র (৬০
কিঃমিঃ) নামক স্থানে ভগবদ্গীতার
জ্ঞান দান করেছিলেন । তাই এই মহিমা
মণ্ডিত তিথিকে গীতা জয়ন্তী তিথি
বলা হয় ।
#গীতা সর্ম্পকে কিছু বহিরঙ্গা জ্ঞানঃ-
🔱 গীতা হচ্ছে সমস্ত শাস্ত্রের
সারতিসার এমনকি গীতায় এমন কিছু
আছে যা অন্যান্য কোন শাস্ত্রে পাওয়া
যায় না । যেমন – ৫ম পুরুষার্থ
♥ মহাভারতের ভীষ্মপর্বের ২৫ থেকে ৪২
নং অধ্যায়ের এই ১৮ টি অধ্যায় হল
ভগবদগীতা বা গীতোপনিষদ ।
🌏 গীতায় আছে ৭০০ শ্লোক (কেউ বলে ৭৪৫
শ্লোক) আছে । তার মধ্যে ধৃতরাষ্ট্র বলেন
১টি শ্লোক, সঞ্জয় বলেন ৪০টি শ্লোক,
অর্জুন বলেন ৮৫টি শ্লোক, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
বলেন ৫৭৪টি শ্লোক । আর পুরো গীতায়
৯৫৮০ টি সংস্কৃত শব্দ আছে ।
#🌏 গীতার ১৮টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথম
৬টি অধ্যায়কে বলে কর্মষটক, মাঝখানের
৬টি অধ্যায়কে বলে ভক্তিষটক, আর বাকি
৬টি অধ্যায়কে বলে জ্ঞানষটক ।
🌏 গীতা পড়লে ৫টি জিনিষ সর্ম্পকে
জানা যায় – ঈশ্বর, জীব, প্রকৃতি, কাল ও
কর্ম ।
🌏 যদিও গীতার জ্ঞান ৫০০০ বছর আগে
বলেছিল কিন্তু ভগবান চতুর্থ অধ্যায়
বলেছেন এই জ্ঞান তিনি এর আগেও
বলেছেন, মহাভারতের শান্তিপর্বে
(৩৪৮/৫২-৫২) গীতার ইতিহাস উল্লেখ আছে
। তার মানে গীতা প্রথমে বলা হয়
১২,০৪,০০,০০০ বছর আগে, মানব সমাজে এই
জ্ঞান প্রায় ২০,০০,০০০ বছর ধরে বর্তমান,
কিন্তু কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে
গেলে পুনরায় আবার তা অর্জুনকে দেন ।
🌏ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে মাত্র ৪০
মিনিটে এই গীতার জ্ঞান দেন ।
🌏 গীতার মাহাত্ম্য অনেকে করে গেছেন
তার মধ্যে শ্রীশঙ্করাচার্য, স্কন্দপুরাণ
থেকে শ্রীল ব্যাসদেব, শ্রীবৈষ্ণবীয়
তন্ত্রসারে গীতা মাহাত্ম্য আর আছে
পদ্মপুরাণে দেবাদিদেব শিব কর্তৃক ১৮টি
অধ্যায়ের মাহাত্ম্য বর্ণনা করেছেন ।
৯। গীতাতে অর্জুনের ২০টি নাম আর
কৃষ্ণের ৩৩টি নামের উল্লেখ করা হয়েছে
।
🌏 গীতাতে মাং এবং মামেব কথাটি
বেশি আছে, যোগ শব্দটি আছে ৭৮ বার,
যোগী আছে ২৮ বার আর যুক্ত আছে ৪৯ বার
।
🌏গীতার ২য় অধ্যায়কে বলা হয় গীতার
সারাংশ ।
🌏ভগবান যখন বিশ্বরূপ দেখান তখন কাল
থেমে যায় ।
🌏 ভগবান শুধু যুদ্ধের আগেই গীতা
বলেনি ১৮ দিন যুদ্ধের মাঝখানেও গীতা
বলেছে ।
🌏গীতায় অর্জুন ১৬টি প্রশ্ন করে আর
কৃষ্ণ তার উত্তর দেন, কৃষ্ণ তা ৫৭৪টি
শ্লোকের মাধ্যমে উত্তর দেন ।
🌏 পুরো গীতার সারমর্ম মাত্র ৪টি
শ্লোকে বর্ণনা করা হয়েছে, ১০ অধ্যায়ের
৮ থেকে ১১ নং শ্লোক ।
১৬। পুরো গীতায় অর্জুন ৪৫ নামে কৃষ্ণকে
সম্বধোন করছেন, আর কৃষ্ণ অর্জুনকে ২১টি
নামে সম্বধোন করেছেন ।
🌏 গীতার ৫ম অধ্যায় ১৩ থেকে ১৬ নং
শ্লোকে তিনজন কর্তার কথা বলা হয়েছে
।
🌏গীতায় ৩টি গুণ, ৩টি দুঃখ আর ৪টি
আমাদের প্রধান সমস্যার কথা বলেছে ।
🌻 ত্রিশ্লোকী গীতার জ্ঞান ঃ যা বেদ
ও বেদান্তের সার, ১৫ অধ্যায়ের ১৬
থেকে ১৮ নং শ্লোক ।
🌻 গীতায় ২৬টি গুণের কথা বলা হয়েছে
আর ৬টি আসুরিক প্রবৃত্তির কথা বলা
হয়েছে ।
🌻নরকের ৩টি দ্বারের কথা বলা হয়েছে
(কাম, ক্রোধ ও লোভ)
🌻 গীতার ১৮ অধ্যায় ব্রাক্ষ্মনের ৯টি গুণ,
ক্ষত্রিয়ের ৭টি গুণ, বৈশ্যের ৩টি গুণ আর
শুদ্রের ১টি গুণ ।
🌻৩টি কর্মের প্রেরণা আর ৩টি কর্মের
আশ্রয়ের কথা বলা আছে ।
💮 বেদান্ত শাস্ত্রের সিধান্ত অনুসারে
কর্মসমূহের সিদ্ধির উদ্দেশ্যে ৫টি
নির্দিষ্ট কারণ কথা বলা হয়েছে ।
💐গুণ অনুসারে ৩ প্রকারের ত্যাগের কথা
বলা হয়েছে ।
🌻 ৩ প্রকারের আহার, যজ্ঞ, তপস্যা,
শ্রদ্ধা, পূজা ও দানের কথা বলা হয়েছে ।
🌺২টি স্বভাবের জীবের কথা বলা
হয়েছে ।
🌺২ প্রকার জীবের কথা বলা হয়েছে ।
🌻১৮টি আত্মজ্ঞানের সাধনার গুনের
কথা বলা হয়েছে ।
🌻 ব্রক্ষ্ম উপলব্ধির ৫টি স্তরের কথা বলা
হয়েছে ।
🌼 ভক্তদের ৩৬ টি গুণের কথা বলা হয়েছে
।
🌼গীতায় ২৫ জন সৃষ্টের কথা বলা
হয়েছে যারা স্থাবর, জঙ্গম ও সমস্ত
প্রজাদের সৃষ্টি করেছেন ।
💐 গীতায় নারীর ৭টি গুণের কথা বলা
হয়েছে ।
🌼 ৪ প্রকার সুকৃতিবান ব্যক্তির কথা বলা
হয়েছে । আর ৪ প্রকার দুষ্কৃতিবানের কথা
বলা হয়েছে ।
🌳🌺 জড়া প্রকৃতির ৮টি উপাদানের কথা
বলা হয়েছে ।
যদি লেখাটি ভালো লেগে থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।ধন্যবাদ সবাইকে

Post a Comment